লতাজির স্বীকৃতি ও সম্মানপ্রাপ্তির একঝলক
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : সুরলোকে সঙ্গীত-সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর। ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯২৯ সালে তাঁর জন্ম। প্রকৃত নাম ছিল হেমা মঙ্গেশকর। পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর ছিলেন তাঁর পিতা। পিতার কাছেই সঙ্গীতশিক্ষা শুরু হয়েছিল। ৫ বছর বয়সে গীতি-নাট্যে অভিনয় করেছিলেন লতা। ১৯৪১ সালের রেডিও-তে দুটি গান রেকর্ড করেছিলেন তিনি। সেই শুরু হয়েছিল পথচলা। তাঁর দীর্ঘ সঙ্গীতময় জীবনে পেয়েছেন নানা পুরস্কার ও স্বীকৃতি। দেশে-বিদেশে তাঁর অগণিত শ্রোতা রয়েছে। তুলে ধরা হল লতাজির স্বীকৃতি ও সম্মানপ্রাপ্তির একঝলক।
ভারতরত্ন – ২০০১, পদ্মবিভূষণ – ১৯৯৯, পদ্মভূষণ – ১৯৬৯, দাদাসাহেব ফালকে – ১৯৮৯, মির্চি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস ফর লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট – ২০০৯, আইফা লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড – ২০০০, ফিল্মফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট – ১৯৯৩, জি সিনে অ্যাওয়ার্ড ফর লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট – ১৯৯৯, স্পেশ্যাল লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড – ২০০৮, ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট ফিমেল প্লে-ব্যাক সিঙ্গার – ১৯৯১, ১৯৭৫, ১৯৭৩, জি সিনে অ্যাওয়ার্ড ফর ফিমেল প্লে-ব্যাক সিঙ্গার – ১৯৯৮, ইন্টারন্যাশনাল ভিউয়ার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ড ফর এমটিভি ইন্ডিয়া – ১৯৯৮, ফিল্মফেয়ার স্পেশ্যাল অ্যাওয়ার্ড – ১৯৯৪, ২০০৪, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট প্লে-ব্যাক সিঙ্গার – ১৯৬৬, ১৯৬৩, ১৯৫৯, ১৯৭০, নুরজাহান অ্যাওয়ার্ড (প্রথম প্রাপক) – ২০০১, ফর-এভার ইন্ডিয়ান অ্যাওয়ার্ড – ২০০৭।
অন্যান্য সম্মান : ১৯৭৪ – বিশ্বে সর্বাধিক গান গাওয়ার জন্য গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম।
১৯৮০ – দক্ষিণ আমেরিকার সুরিনামে সাম্মানিক নাগরিকত্ব।
১৯৮৭ – টেক্সাসের হিউস্টনে সাম্মানিক নাগরিকত্ব।
২০১০ – নাইট অফ দ্য লেজিয়ঁ দ্য নর (ফ্রান্সের শ্রেষ্ঠ নাগরিক সম্মান)।
একমাত্র এশীয়, যিনি ইএমআই লন্ডনের প্ল্যাটিনাম ডিস্ক পান।
রাজ্যসভার মনোনীত সদস্য ছিলেন, সাংসদ হিসেবে নেননি কোনও পারিশ্রমিক। লর্ডসের এমসিসি-র আজীবন সদস্য।

